নভেম্বর ৯, ২০২৬
#রেমিট্যান্স

২০২৫ সালে মোট রেমিট্যান্স ৩২.৯ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে!

২০২৫ সালে মোট রেমিট্যান্স ৩২.৯ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এর বড় অংশ এসেছে মধ্যপ্রাচ্য থেকে, বিশেষ করে সৌদি (শীর্ষ উৎস), কাতার, কুয়েত ও ওমান থেকে। সরকারের ২.৫% প্রণোদনা, হুন্ডি কমা ও আনুষ্ঠানিক চ্যানেলের ব্যবহার বৃদ্ধির কারণে এই সাফল্য।

এদিকে ২০২৫ সালে সৌদি আরবে ৭ লাখ ৫২ হাজার ৭১৫ জন কর্মী গিয়েছেন, যা একক দেশে সর্বোচ্চ রেকর্ড। বিএমইটি ও আরব নিউজের তথ্যমতে, এটি ২০২৪ সালের তুলনায় প্রায় ১৬% বেশি। সৌদিতে বর্তমানে প্রায় ৩৫ লাখ বাংলাদেশি বাস করেন, যারা বছরে ৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠান।

অক্টোবর ২০২৫-এ দুই দেশের মধ্যে নতুন শ্রম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা প্রথমবারের মতো সাধারণ কর্মী নিয়োগের জন্য। এতে ভিশন ২০৩০-এর মেগা প্রকল্পগুলোতে (নিওম, রেড সি, ওয়ার্ল্ড কাপ ২০৩৪ প্রস্তুতি) নির্মাণ, টেকনিক্যাল ও দক্ষ খাতে আরও সুযোগ তৈরি হবে। বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন, ২০২৬ সালে ২.৫-৩ লাখ নতুন কর্মসংস্থান হতে পারে।

তবে চ্যালেঞ্জও কম নয়। ইউএই-তে ২০২৬ থেকে ভিসা নিষেধাজ্ঞা, ওমান-এর পুরোনো নিষেধাজ্ঞা, সৌদাইজেশন নীতি ও শ্রমবাজারের পরিপূর্ণতার কারণে অন্যান্য মধ্যপ্রাচ্য দেশে নতুন কর্মী যাওয়া কমেছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে (আগস্ট-অক্টোবর ২০২৫) রেমিট্যান্স কিছুটা কমেছে, বিশেষ করে সৌদি ও ইউএই থেকে।

এছাড়া, ২০২৬ সালের নির্বাচনে প্রবাসীদের পোস্টাল ভোটের সুযোগ থাকায় মধ্যপ্রাচ্যের লাখ লাখ প্রবাসী প্রথমবার ভোট দিতে পারবেন। সৌদি থেকে ইতিমধ্যে ১ লাখের বেশি নিবন্ধন হয়েছে।

সার্বিকভাবে, মধ্যপ্রাচ্যের বাংলাদেশি প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। দক্ষতা উন্নয়ন, নিরাপদ অভিবাসন ও বাজার বৈচিত্র্যকরণ করা গেলে এই খাত আরও টেকসই হবে।

২০২৫ সালে মোট রেমিট্যান্স ৩২.৯ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে!

প্রবাস জীবনের নিরাপত্তা কবচ: ২০২৬ সালে বাধ্যতামূলক

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *