এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের বিশেষ স্কিমে বাড়ছে প্রবাসীদের আগ্রহ

প্রবাসী বাংলাদেশিদের আর্থিক সঞ্চয় ও বিনিয়োগকে আরও সহজ করতে এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক নতুন বিশেষ স্কিম চালু করেছে। ২০২৬ সালে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে প্রবর্তিত এই উদ্যোগে সঞ্চয়, বিনিয়োগ ও প্রবাসী পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি। এই অর্থকে নিরাপদ ও লাভজনকভাবে ব্যবস্থাপনা করার জন্য ব্যাংকিং খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এই প্রেক্ষাপটে এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক দীর্ঘদিন ধরেই প্রবাসী কেন্দ্রিক ব্যাংকিং সেবা সম্প্রসারণে কাজ করছে। নতুন স্কিমগুলো মূলত প্রবাসীদের সঞ্চয়, বিনিয়োগ এবং পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তৈরি করা হয়েছে।
নতুন বিশেষ স্কিমে কী কী সুবিধা রয়েছে
ব্যাংক কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, নতুন প্রবাসী-বান্ধব স্কিমে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে—
- উচ্চ সুদযুক্ত সঞ্চয় হিসাব
- সহজে রেমিট্যান্স পাঠানো ও গ্রহণের সুবিধা
- দীর্ঘমেয়াদি ডিপোজিটে অতিরিক্ত লাভ
- প্রবাসী পরিবারের জন্য দ্রুত ঋণ সুবিধা
- ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা (মোবাইল ও অনলাইন অ্যাক্সেস)
এই সুবিধাগুলো প্রবাসীদের আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে আরও সহজ করার লক্ষ্য নিয়ে তৈরি।
এই বিশেষ স্কিম মূলত প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মী, উদ্যোক্তা এবং তাদের পরিবারের জন্য উন্মুক্ত।
আরও পড়ুনঃ কাতারের এলএনজি উৎপাদন স্থগিত: ইউরোপে দাম বাড়লো ৫০ শতাংশ
দেশের বাইরে কর্মরত যেকোনো বৈধ প্রবাসী এই ব্যাংকের সেবা গ্রহণ করতে পারবেন, বিশেষ করে যারা মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশে কর্মরত।
রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ানোর কৌশল
বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যাংকিং খাতে প্রবাসী স্কিম শুধু ব্যক্তিগত সুবিধা নয়, বরং দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।
সরকার ও ব্যাংক খাত যৌথভাবে—
- বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স বাড়াতে
- হুন্ডি নিরুৎসাহিত করতে
- প্রবাসী বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে
এই ধরনের স্কিম চালু করছে।
ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের ভূমিকা
বর্তমানে প্রবাসীরা মোবাইল অ্যাপ ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সহজেই ব্যাংকিং সেবা নিতে পারছেন।
এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক ডিজিটাল সেবা বাড়িয়ে প্রবাসীদের জন্য দ্রুত টাকা পাঠানো, অ্যাকাউন্ট মনিটরিং, বিনিয়োগ পরিচালনা সহজ করেছে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, প্রবাসী নির্ভর ব্যাংকিং স্কিম দেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে সাহায্য করছে।
তাদের মতে, সঠিক ব্যবস্থাপনা থাকলে এই ধরনের স্কিম গ্রামীণ অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে, ছোট ব্যবসায় বিনিয়োগ বাড়াতে পারে এবং প্রবাসী পরিবারের জীবনমান উন্নত করতে পারে।











