প্রবাসীদের “ব্রেন ড্রেন” কে “ব্রেন সার্কুলেশন”-এ রূপান্তর করতে চায় সরকার

গত ১৩ জুন,২০২৬ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত “বানিজ্য, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক কূটনৈতিক কর্মপরিকল্পনা” শীর্ষক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র জনাব মাহদী আমিন বলেন, প্রবাসে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের মেধা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে ঐতিহাসিকভাবে চলে আসা “ব্রেন ড্রেন” বা মেধা পাচারকে “ব্রেন সার্কুলেশন”-এ রূপান্তর করা হবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈদেশিক কর্মসংস্থানের বিষয়ে একটি সুনির্দিষ্ট ভিশন তুলে ধরেছেন। এর মাধ্যমে একটি সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ ও কার্যকর অভিবাসন নীতি তৈরি হবে, যেখানে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমিয়ে আনা হবে। মাহদী আমিন উল্লেখ করেন, “আমরা চাই প্রবাসীরা দেশের উন্নয়নে আরো বেশি সক্রিয় ভুমিকা পালন করুন এবং তাদের জ্ঞান ও কারিগরি দক্ষতা দেশের ইকো সিস্টেমে স্থানান্তর করুন। তিনি আরও বলেন, সরকার শুধু অদক্ষ শ্রমিক পাঠানোর ধারা থেকে বেরিয়ে এসে দক্ষতা, উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। আমরা শুধু শ্রমবাজারের বহুমুখীকরণ চাই না, বরং কর্মসংস্থানের ধরণ ও বৈচিত্র্যও নিশ্চিত করতে চাই। দেশের অর্ধেকের বেশি নারী হওয়ায় বৈশ্বিক শ্রমবাজারে নারীদের অংশগ্রহণ ৫ থেকে ৭ শতাংশ হলেও তা বাড়াতে কাজ করতে চায় সরকার।”
ড. মাহদী আমিন জানান,তরুণ প্রজন্মের বৈশ্বিক আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার সম্প্রতি একটি কর্মসূচি চালু করেছে। এর অধীনে কোন শিক্ষার্থী যদি তৃতীয় ভাষা শিক্ষা বা স্বল্পমেয়াদী কোর্সের জন্য বিদেশে যেতে চায়, তবে সে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা পাবে। তিনি আরও বলেন, বিশ্বের কোন দেশে কি কি ধরণের কারিগরি দক্ষতার চাহিদা রয়েছে, তা নিরূপণ করার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ শুরু করেছে। সে অনুযায়ী দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ও কারিগরি প্রশিক্ষন কেন্দ্রগূলোতে তরুণদের দক্ষ করে তোলা হবে। এছাড়াও বাংলাদেশি কর্মীদের অর্জিত সনদগুলো যাতে গ্রহণকারী দেশগূলোতে সরাসরি স্বীকৃত হয়, সেজন্য আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সাথে কার্যকর যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে।









