আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং পারমিট থাকলে ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে চাকরির বড় সুযোগ

বিদেশে লজিস্টিকস ও ডেলিভারি খাতে কর্মসংস্থানের স্বপ্ন দেখা প্রবাসীদের জন্য আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং পারমিট এবং এর কিউআর কোড অডিট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক নিয়মে পরিণত হয়েছে। ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপদ ও উন্নত দেশগুলোতে লজিস্টিকস কিংবা কুরিয়ার সার্ভিসে ড্রাইভিংয়ের কাজ পেতে এখন ডিজিটাল ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক। তবে সঠিক পথ না চিনে অসাধু চক্রের কাছ থেকে ভুয়া পারমিট নিলে মুহূর্তেই পড়তে হতে পারে চরম বিপদে।
বর্তমান সময়ে ইউরোপ এবং মধ্যপ্রাচ্যের উন্নত শহরগুলোতে অনলাইন কেনাকাটা ও ই-কমার্সের বিশাল প্রসারের ফলে কুরিয়ার সার্ভিস ও ড্রাইভিং খাতে বিপুল কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে। বহু প্রবাসী বাংলাদেশি এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ভালো বেতনের ড্রাইভিং চাকরি পেতে উন্মুখ থাকেন।
তবে আগে কেবল কাগজের ওপর নির্ভর করে আবেদন করা গেলেও এখন আন্তর্জাতিক নিয়মকানুন অনেকটাই কঠোর করা হয়েছে। কাজের আবেদনে অন্যান্য নথির পাশাপাশি বৈধ ড্রাইভিং ডকুমেন্টের আধুনিক প্রমাণ উপস্থাপন করা এখন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক মানদণ্ড নিশ্চিত করতে আধুনিক সব লাইসেন্সে কিউআর কোড যুক্ত করা থাকে। এর ফলে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্রাফিক পুলিশ বা কোনো কোম্পানির এইচআর কর্মকর্তা একটি সাধারণ কিউআর স্ক্যানার দিয়েই ডকুমেন্টটির সত্যতা পরখ করে নিতে পারেন।
এই ডিজিটাল অডিট ব্যবস্থার কারণে ভুয়া কাগজপত্রের দিন একপ্রকার শেষ হয়ে এসেছে। ডেটাবেজে মূল তথ্য মেলানোর সাথে সাথেই স্পষ্ট হয়ে যায় লাইসেন্সটি আসল নাকি ভুয়া কোনো মাধ্যম থেকে বানিয়ে আনা হয়েছে।
অনেক সময় প্রবাসে পাড়ি জমানো বা নতুন চাকরি খোঁজা প্রবাসীরা দালালের খপ্পরে পড়ে যান। অল্প সময়ে ও কম খরচে কাজ শেষ করার লোভে অনেকে অননুমোদিত সংস্থা থেকে ভুয়া কাগজপত্র জোগাড় করেন।
ডিজিটাল অডিটে যদি এমন ভুয়া কাগজপত্র সনাক্ত হয়, তবে সংশ্লিষ্ট দেশে তা গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। তাৎক্ষণিক জেল-জরিমানা ছাড়াও চাকরি বাতিল এবং স্থায়ীভাবে ওই দেশ থেকে ফেরত পাঠানোর মতো কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হয়।











