নভেম্বর ৯, ২০২৬
#রেমিট্যান্স

৭১ দিনে ৬৭৩ কোটি ডলার রেমিট্যান্স: দেশের অর্থনীতিতে স্বস্তির বার্তা

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরুতেই দেশে ব্যাপক প্রবাসী আয় বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে জাতীয় অর্থনীতি ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে বড় ধরনের স্বস্তি ফিরে এসেছে। অর্থ বছরের প্রথম ৭১ দিনে প্রবাসীরা ৬৭৩ কোটি মার্কিন ডলার পাঠিয়েছেন, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৬ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি। ডলার সংকট কাটাতে প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো এই রেমিট্যান্স এখন প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর সুবিধা ও প্রণোদনা বৃদ্ধির কারণে প্রবাসীরা বৈধ পথে টাকা পাঠাতে উৎসাহিত হচ্ছেন। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে।

গত বছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকে যেখানে রেমিট্যান্স প্রবাহে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ ছিল, এবার পরিস্থিতি অনেকটাই ভিন্ন। ব্যাংকিং খাতের ওপর মানুষের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা হওয়া এবং হুন্ডি বন্ধে নজরদারি বাড়ানোর ফলেও ইতিবাচক ফল মিলছে।

দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় প্রবাসীদের ভূমিকা সবসময়ই অনস্বীকার্য। চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও মূল্যস্ফীতির চাপের মাঝে এই প্রবাসী আয় বৃদ্ধি রিজার্ভের ঘাটতি পূরণ করতে সাহায্য করছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, ধারাবাহিক রেমিট্যান্স আসার কারণে বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য ও বহিঃখাতের স্থায়িত্ব বজায় রাখা সহজ হচ্ছে। বিশেষ করে আমদানি দায় পরিশোধের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো এখন আগের চেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে।

সেপ্টেম্বরের মাত্র প্রথম আট দিনেই যে পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা এসেছে, তা এই প্রবাহের ধারাবাহিকতারই ইঙ্গিত দেয়। কেবল ৮ সেপ্টেম্বর এক দিনেই ব্যাংকিং চ্যানেলে এসেছে ১৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈধ পথে টাকা পাঠানোর এই প্রবণতা বজায় থাকলে আগামী দিনগুলোতে রিজার্ভ পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী হবে। প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ দেশের সামগ্রিক গ্রামীণ অর্থনীতিকেও সচল রাখতে সমানভাবে সহায়তা করছে।

৭১ দিনে ৬৭৩ কোটি ডলার রেমিট্যান্স: দেশের অর্থনীতিতে স্বস্তির বার্তা

ডেনমার্কে গ্রিন কার্ড ও পজিটিভ লিস্টের অধীনে

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *