প্রবাসে দুর্ঘটনা: বাংলাদেশি প্রবাসীদের জীবনের ঝুঁকি ও মর্মান্তিক পরিণতি

বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতিতে অপরিসীম অবদান রাখলেও তাদের জীবন প্রায়শই দুর্ঘটনা ও মৃত্যুর ঝুঁকিতে ভরা। ২০২৫ সালে রেকর্ড ৩২.৮২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা, কিন্তু এর পিছনে লুকিয়ে আছে অসংখ্য মর্মান্তিক দুর্ঘটনার গল্প।
২০২৬ সালের শুরুতেই ওমানে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। মাস্কাটের আজেইবা এলাকায় গাড়ি সংঘর্ষে প্রাণ হারান কক্সবাজার ও কুমিল্লার চার যুবক।
প্রবাসে দুর্ঘটনার প্রধান কারণগুলো হলো নিরাপত্তা সরঞ্জামের অভাব, অতিরিক্ত কর্মঘণ্টা, অদক্ষতা এবং কাফালা সিস্টেমের শোষণ। সৌদি ভিশন ২০৩০ প্রকল্পে লাখো বাংলাদেশি কাজ করছেন, কিন্তু নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়ায় দুর্ঘটনা ঘটছে। অনেক পরিবার ক্ষতিপূরণ পান না, এমনকি মরদেহ ফেরত আনতে লাখ টাকা খরচ করতে হয়। সরকার প্রবাসীদের বিমা ও প্রণোদনা দিচ্ছে, কিন্তু দক্ষতা প্রশিক্ষণ এবং গন্তব্য দেশে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।
প্রবাসে দুর্ঘটনা শুধু ব্যক্তিগত ক্ষতি নয়, পরিবার ও দেশের জন্যও বড় লস। প্রবাসীদের ‘রেমিট্যান্স যোদ্ধা’ বলা হয়, কিন্তু তাদের জীবন রক্ষায় আরও সচেতনতা ও আন্তর্জাতিক চাপ দরকার। নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করলে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা কমবে।











