ফ্যামিলি রিইউনিফিকেশন’এর মাধ্যমে বিদেশে পরিবারকে স্থায়ীভাবে নেওয়ার আইনি ধাপ জেনে নিন

বিদেশে স্থায়ী বসবাস বা গ্রিন কার্ড পাওয়ার পর ফ্যামিলি রিইউনিফিকেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে নিজের পরিবার বা বাবা-মাকে স্থায়ীভাবে নিয়ে আসার পথ সুগম হয়। অধিকাংশ উন্নত দেশেই অভিবাসীদের জন্য নিজ পরিবারকে কাছে এনে একত্রে বসবাসের একটি নির্দিষ্ট আইনি কাঠামো রয়েছে।
তবে এই আবেদনের ক্ষেত্রে সঠিক কাগজপত্র জমা দেওয়া এবং ইমিগ্রেশন আইনের সঠিক অনুসরন অত্যন্ত জরুরি। আইনি শর্তাবলি ও আয়ের সঠিক মাপকাঠি পূরণ করতে পারলেই পরিবারকে স্পন্সর করে নিজের কাছে নিয়ে আসা সহজ হয়ে ওঠে।
একটি নতুন দেশে গুছিয়ে বসার পর পরিবারকে নিজের কাছে নিয়ে আসার ইচ্ছা প্রতিটি অভিবাসীরই থাকে। ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টগুলো স্পন্সরকারীর স্থায়ী বসবাসের স্ট্যাটাস এবং অর্থনৈতিক স্থায়িত্বকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেয়। আবেদন শুরুর আগেই প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র প্রস্তুত রাখা এই প্রক্রিয়ার প্রথম প্রধান ধাপ।
বাংলাদেশ থেকে পরিবারকে স্পন্সর করার ক্ষেত্রে সরকারি দপ্তর থেকে প্রাপ্ত সমস্ত সনদপত্রের ইংরেজি অনুবাদ ও নোটারাইজেশন করা প্রয়োজন। সঠিক তথ্য ও ডকুমেন্টের অনুপস্থিতির কারণে অনেক সময় ভিসা প্রসেসিং দীর্ঘায়িত হয়, তাই প্রথম থেকেই সতর্ক থাকা উচিত।
পরিবারের সদস্যদের বিদেশে নেওয়ার সময় অন্যতম প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়ায় আয়ের সঠিক প্রমাণ উপস্থাপন। আপনি যাদের নিয়ে আসতে চাচ্ছেন, তাদের প্রাথমিক বাসস্থান ও চিকিৎসার খরচ বহন করার ক্ষমতা আপনার আছে কি না, তা ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখে।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বিগত এক বা দুই বছরের ট্যাক্স রিটার্ন ফাইল ও ব্যাংক স্টেটমেন্ট জমা দিতে হয়। সরকারের ওপর যেন কোনো অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা না পড়ে, তা নিশ্চিত করতেই মূলত এই আয়ের শর্ত বা ‘ইনকাম থ্রেশহোল্ড’ নির্ধারণ করা থাকে।
সব কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর প্রতিটি কেসের ব্যাকগ্রাউন্ড ভেরিফিকেশন করা হয়। সম্পর্কের সত্যতা নিশ্চিত করতে ক্ষেত্রবিশেষে পারিবারিক ছবি, নিয়মিত যোগাযোগের প্রমাণ কিংবা ডিএনএ টেস্টের মতো বিষয়ও সামনে আসতে পারে।











