এই কৌশলগুলোতে ভিসা ইন্টারভিউতে ইংরেজি দুর্বলতা বাধা হবে না

বিদেশ যাওয়ার স্বপ্ন পূরণের চূড়ান্ত ধাপ হলো এম্বাসি ফেস করা। অনেকেই সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করার পরও কেবল ইংরেজি বলার ভয়ে ভীষণ নার্ভাস হয়ে পড়েন। তবে বাস্তব সত্য হলো, ভিসা ইন্টারভিউতে সফল হওয়ার জন্য আপনাকে ইংরেজিতে পণ্ডিত হতে হবে না। ভিসা অফিসাররা মূলত আপনার প্রকৃত উদ্দেশ্য, সত্যতা এবং আত্মবিশ্বাস যাচাই করেন, আপনার ব্যাকরণগত নির্ভুলতা নয়। তাই ভাষার ঘাটতিকে একপাশে সরিয়ে রেখে কিছু কৌশল অবলম্বন করলেই যেকোনো দেশের এম্বাসি ফেস করে ভিসা পাওয়া সম্ভব।
ভিসা অফিসাররা প্রতিদিন শত শত আবেদনকারীর মুখোমুখি হন। তারা খুব ভালো করেই জানেন যে ইংরেজি সবার মাতৃভাষা নয়। তাই কোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় কঠিন শব্দ খোঁজার চেষ্টা করবেন না। সাধারণ এবং সরল ইংরেজিতে আপনার উদ্দেশ্য বুঝিয়ে বলুন। আপনি কেন সেই দেশে যাচ্ছেন, আপনার স্পন্সর কে এবং পড়ালেখা বা ভ্রমণ শেষে দেশে ফিরে আসার পরিকল্পনা কী এই বিষয়গুলো স্পষ্ট রাখাই ভিসা ইন্টারভিউতে সফল হওয়ার প্রধান শর্ত।
যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশের এম্বাসিতেও এখন ইন্টারভিউয়ের সময় বাংলা বলার চমৎকার সুযোগ রয়েছে। আপনি যদি ইংরেজিতে একদমই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ না করেন, তবে শুরুতেই অফিসারকে বিনীতভাবে বলতে পারেন যে আপনি ইন্টারভিউটি বাংলায় দিতে চান। সেখানে দক্ষ দোভাষী থাকেন অথবা অফিসার নিজেই বাংলায় প্রশ্ন করেন। নিজের মনের ভাব ভুল ইংরেজিতে প্রকাশ করার চেয়ে মাতৃভাষায় স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে বলা অনেক বেশি বুদ্ধিমানের কাজ এবং এটি ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
ইন্টারভিউ বোর্ডে আপনার কণ্ঠস্বরের চেয়ে আপনার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ বা শারীরিক অঙ্গভঙ্গি আগে কথা বলে। অফিসার যখন প্রশ্ন করবেন, তখন নিচের দিকে না তাকিয়ে সরাসরি তার চোখের দিকে তাকিয়ে (Eye Contact) উত্তর দিন। একটু মৃদু হাসি আপনার ভেতরের ভয়কে ঢেকে দেবে। কোনো প্রশ্ন একবার বুঝতে না পারলে বানিয়ে উত্তর না দিয়ে বিনীতভাবে আবার জিজ্ঞেস করুন। এই ছোট ছোট আচরণগুলো প্রমাণ করে আপনি একজন দায়িত্বশীল এবং পরিপক্ক ব্যক্তি, যা অফিসারকে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।











