নভেম্বর ৯, ২০২৬
#রেমিট্যান্স

নতুন রেকর্ডের পথে রেমিট্যান্স: ২০২৬ সালে বৈদেশিক মুদ্রার চাঞ্চল্যকর চিত্র

২০২৬ সালের শুরুতেই বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বইছে স্বস্তির হাওয়া। গত বছর (২০২৪-২৫ অর্থবছর) দেশে ৩০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক ছোঁয়ার পর, চলতি বছরের প্রথম কয়েক দিনেই রেমিট্যান্স প্রবাহে বড় ধরনের উল্লম্ফন লক্ষ্য করা গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম ১১ দিনেই প্রবাসীরা ১.৩৩ বিলিয়ন (১৩৩ কোটি) মার্কিন ডলার পাঠিয়েছেন, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৮১ শতাংশ বেশি।

হুন্ডি বিরোধী কঠোর অবস্থান ও প্রণোদনা রেমিট্যান্সের এই উর্ধ্বগতির পেছনে মূল কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে হুন্ডি বা অবৈধ চ্যানেলের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি। ২০২৬ সালের বাজেটে প্রবাসীদের জন্য রেমিট্যান্স প্রণোদনা বৃদ্ধি এবং ব্যাংকিং চ্যানেলে টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ করার ফলে বৈধ পথে অর্থ পাঠানোর হার বেড়েছে। এছাড়া আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল থাকায় প্রবাসীরা এখন ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পাঠাতেই বেশি নিরাপদ বোধ করছেন।

শীর্ষ দেশগুলোর অবদান বরাবরের মতো রেমিট্যান্সের বড় অংশই আসছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে। তবে ২০২৬ সালে নতুন একটি প্রবণতা দেখা গেছে—ইউরোপের ইতালি, রোমানিয়া এবং ওশেনিয়া অঞ্চল (অস্ট্রেলিয়া) থেকে রেমিট্যান্সের হার আগের চেয়ে ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। দক্ষ কর্মীদের বিদেশে পাঠানোর হার বাড়ায় মাথাপিছু রেমিট্যান্স পাঠানোর পরিমাণও আগের চেয়ে বেড়েছে।

ভবিষ্যৎ লক্ষ্যমাত্রা ও সম্ভাবনা অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, যদি এই ধারা অব্যাহত থাকে তবে ২০২৬ সাল শেষে বাংলাদেশ প্রায় ৩৫ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্সের নতুন রেকর্ড গড়তে পারে। তবে এই প্রবাহ ধরে রাখতে হলে প্রবাসীদের জন্য স্মার্ট ব্যাংকিং সেবা এবং বীমা সুবিধা আরও আধুনিক করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। রেমিট্যান্স কেবল রিজার্ভ বাড়াচ্ছে না, বরং ২০২৬ সালে বাংলাদেশের উন্নয়ন বাজেটের একটি বড় অংশ যোগান দিচ্ছে এই প্রবাসীদের রক্ত পানি করা অর্থ।

নতুন রেকর্ডের পথে রেমিট্যান্স: ২০২৬ সালে বৈদেশিক মুদ্রার চাঞ্চল্যকর চিত্র

প্রবাসীদের জীবন রক্ষায় ‘লাইফলাইন’: জরুরি নম্বর ও

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *