২০২৬ সালে বিদেশ ভ্রমণ: নতুন নিয়ম ও বাংলাদেশি পর্যটকদের প্রবণতা

২০২৬ সালে এসে বাংলাদেশি নাগরিকদের বিদেশ ভ্রমণের ধরনে এসেছে বড় পরিবর্তন। আগে ভ্রমণ মানেই ছিল ভারত, থাইল্যান্ড বা সিঙ্গাপুর; কিন্তু বর্তমানে নতুন নতুন গন্তব্যের প্রতি বাংলাদেশিদের আগ্রহ বাড়ছে। বিশেষ করে তুরস্ক, ভিয়েতনাম এবং পূর্ব ইউরোপের দেশগুলো এখন ভ্রমণের তালিকায় ওপরের দিকে উঠে এসেছে। তবে বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে জারি করা হয়েছে নতুন কিছু নির্দেশিকা।
পাসপোর্ট ও ভিসা প্রক্রিয়ায় ডিজিটাল বিপ্লব ২০২৬ সাল থেকে ই-পাসপোর্ট এবং ডিজিটাল ভিসা ভেরিফিকেশন সিস্টেম বাধ্যতামূলক হওয়ায় এয়ারপোর্টগুলোতে হয়রানি কমেছে। সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে কৃচ্ছ্রসাধন নীতি বজায় থাকলেও সাধারণ পর্যটকদের জন্য ভ্রমণ কোটা বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া ‘অন-অ্যারাইভাল’ ভিসা সুবিধার তালিকায় নতুন কিছু আফ্রিকান ও লাতিন আমেরিকান দেশ যুক্ত হওয়ায় বাংলাদেশি ভ্রমণপিপাসুদের জন্য নতুন দুয়ার উন্মোচিত হয়েছে।
ভ্রমণ ব্যয় ও মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি এবং বিমানের টিকিটের উচ্চমূল্যের কারণে ২০২৬ সালে বিদেশ ভ্রমণ বেশ ব্যয়বহুল হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের রুটে টিকিটের দাম গত বছরের তুলনায় ১৫-২০ শতাংশ বেড়েছে। এর ফলে অনেক পর্যটক এখন দীর্ঘমেয়াদী ট্যুরের পরিবর্তে কাছাকাছি দেশগুলোতে শর্ট ট্যুর দিতে বেশি পছন্দ করছেন। মেঘালয়, সিকিম এবং ভুটানে সড়কপথে ভ্রমণের রেকর্ড সংখ্যক বুকিং দেখা গেছে চলতি বছরের শুরুতে।
জরুরি পরামর্শ ও সুরক্ষা ২০২৬ সালের নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, বিদেশে যাওয়ার আগে প্রত্যেক ভ্রমণকারীর জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণের ভ্রমণ বীমা (Travel Insurance) থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিদেশের মাটিতে কোনো দুর্ঘটনা বা অসুস্থতায় এই বীমা পর্যটকদের সুরক্ষা দিচ্ছে। ট্রাভেল এজেন্সিগুলো এখন প্যাকেজ ট্যুরের সাথে সাথে ‘মেডিকেল ট্যুরিজম’ এর ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে, কারণ অনেক বাংলাদেশি উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারত ও মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমাচ্ছেন।











